‘ব্রাজিল আর আগের মতো নেই’ নকআউটের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের আগে জাপানের এক ফুটবলারের এই মন্তব্য ব্রাজিলের ভক্তদের আরও তেঁতে করে তুলেছিল। এরওপর ম্যাচের শুরুটা ছিল হতাশাজনক। প্রথমার্ধে এক গোলে পিছিয়ে থেকে ড্রেসিংরুমে ফিরেছিল ক্যাসেমিরো-ভিনিসিয়ুসরা। সেই সময় কোচ খেলোয়াড়দের শান্ত থাকতে বলেছিলেন ম্যাচ শেষে ব্রাজিল অধিনায়ক ক্যাসেমিরো জানান, যে কোনো পরিস্থিতিতে স্থির থাকার বার্তা দিয়েছিলেন কোচ।
দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। ক্যাসেমিরোর গোলে ব্রাজিল সমতায় ফেরে। এরপর বদলি হিসেবে নামা মার্তিনেল্লি শেষ মুহূর্তে জয়সূচক গোল করে টুর্নামেন্টে টিকে থাকার পথ খুলে দেন পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের। জাপান ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার পর বেশ স্বাচ্ছন্দ্যে খেলছিল, আর ব্রাজিলের জন্য মুহূর্তটি ছিল অত্যন্ত চাপের। কারণ ২০০২ সালের পর থেকে বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে পিছিয়ে পড়ার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে জেতার রেকর্ড নেই ব্রাজিলের। তাই সেই সময় একটি বড় অঘটন ঘটার সম্ভাবনা ছিল একেবারেই বাস্তবসম্মত।
তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞতা, ধৈর্য এবং দ্বিতীয়ার্ধের দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন ব্রাজিলকে আবারও বড় দলের মতোই টুর্নামেন্টে টিকে থাকার সুযোগ এনে দেয়। ম্যাচের পর ব্রাজিল ভক্তরা যেমন স্বস্তি পেয়েছেন, তেমনি কোচের শান্ত থাকার বার্তা মাঠে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, তা নিয়ে প্রশংসা চলছে ফুটবল মহলে।

