স্ক্রিনের সামনে বিস্তৃত বড় রাস্তা। সেই রাস্তায় দাঁড়িয়ে কিংবা বসে হাজারো মানুষ খেলা দেখেন। রাস্তার এক পাশে বড় বেঞ্চ সাজানো, যেখানে বসে বা শুয়েও খেলা দেখার সুযোগ রয়েছে। বেঞ্চের পাশে সবুজ গাছের সারি থাকায় পরিবেশে থাকে খানিকটা প্রশান্তির বাতাস।
খেলা দেখা ছাড়াও এখানে রয়েছে পতাকা দিয়ে সাজানো বিশেষ স্থাপত্য, যা দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক কার্যক্রমও চলছে। ফিফা শো রুমে ফুটবলপ্রেমীরা তাদের পছন্দমতো বল, মগ কিংবা বিশ্বকাপের সুভ্যেনির নির্ধারিত মূল্যে কিনতে পারেন। হার্ডসন ইয়ার্ডের ফ্যান জোন খুব বড় না হলেও পর্দার সামনে চেয়ার ও বেঞ্চে বসে কয়েকশ মানুষ খেলা দেখতে পারেন। পাশে রয়েছে শিশুদের জন্য আলাদা খেলার জায়গা, যেখানে বড়রাও খেলায় মেতে ওঠেন।
এই স্থাপনা ইট-পাথর বা সিমেন্টের নয়। আলাদা অংশ জোড়া দিয়ে কয়েক তলা উঁচু কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি তলায় বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া দেশগুলোর পতাকা ঝুলছে। বাইরে থেকে দেখতে এটি অপূর্ব সুন্দর, আর ফুটবলপ্রেমী ও দর্শনার্থীরা ছবি তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
হার্ডসন ইয়ার্ডে খেলা দেখতে আসা দর্শকরা সাধারণত একটু আগেভাগেই আসেন। কারণ বিশেষভাবে নির্মিত এই স্থাপনায় দাঁড়িয়ে শহরকে ভিন্ন রূপে দেখা যায়। এজন্য প্রাপ্তবয়স্কদের ১০ ডলার এবং পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য অর্ধেক মূল্য দিতে হয়।
বিশ্বকাপে থাকে বিচিত্র সব গল্প। গতকাল আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচ দেখতে নিউইয়র্কের হার্ডসন ইয়ার্ডে দেখা গেল এক অনন্য স্থাপত্য। ফ্যান জোনের স্ক্রিনের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা সেই কাঠামো চারদিকে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর পতাকা দিয়ে সাজানো ছিল, যা পুরো পরিবেশকে আরও উৎসবমুখর করে তুলেছিল।

