মালয়েশিয়া ও চীনে চার দিনের দ্বিপাক্ষিক রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার (২৬ জুন) বেইজিংয়ের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি সপরিবারে ঢাকার উদ্দেশে বেইজিং ত্যাগ করেন।
বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে আন্তরিক বিদায় জানান চীনের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউ শিয়াওইয়ং। বেইজিং-ঢাকা রুটের এই সরাসরি ফ্লাইটে যাতায়াতে সাধারণত পাঁচ ঘণ্টার মতো সময় লাগে। সেই হিসেবে বাংলাদেশ সময় আজ রাত ৮টা বা তার কিছু পরে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকবেন বিএনপির মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এর আগে, গত ২১ জুন এক রাষ্ট্রীয় সফরে প্রথমে মালয়েশিয়ায় যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর, পরদিন ২২ জুন বিকেল ৫টায় কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশের একটি বিশেষ ফ্লাইটে চীনের দালিয়ানে পৌঁছান তিনি। দালিয়ানে চীনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেন বাংলাদেশ সরকার প্রধান।
সফরের শেষ অংশে, আজ শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে বেইজিংয়ে চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সরকার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়া ও চীনে এটিই ছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। এই সফরের মধ্য দিয়ে বন্ধুপ্রতিম দেশ দুটির সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

