সরকারি কর্মচারীদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং কর্মস্থলে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নতুন সংশোধনীতে কর্তৃপক্ষের বৈধ আদেশ অমান্য করা বা সম্মিলিতভাবে ইস্তফা দিয়ে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা উভয়কেই ‘সরকারি কর্মে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অসদাচরণ’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এই ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে বরখাস্ত বা বাধ্যতামূলক অবসর এমন কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে, যা সরকারি চাকরিতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকারের কঠোর অবস্থানকে নির্দেশ করে।
রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ‘সরকারি চাকরি (সংশোধন) আইন, ২০২৬’ বিলটি উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। পরে বিলটি কণ্ঠভোটে পাস হয়।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে সরকার চায় :
কর্মস্থলে অনুপস্থিতি বা সম্মিলিত কর্মবিরতি যেন প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত না করে
সরকারি সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকে
দায়িত্ব পালনে কর্মচারীদের মধ্যে আরও জবাবদিহিতা তৈরি হয়
সংশোধনীটি পাস হওয়ায় এখন সরকারি চাকরিতে শৃঙ্খলাভঙ্গের বিষয়ে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হলো।

