প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। খসড়া ফল তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে ফলাফলের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে অধিকতর যাচাই-বাছাই কার্যক্রম চলছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হতে পারে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফলাফলে কোনো ধরনের ত্রুটি এড়াতে চূড়ান্ত পর্যায়ের যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে ফল প্রকাশ করা হবে।
ফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা অনলাইনের মাধ্যমে সহজেই ফলাফল জানতে পারবেন। এছাড়া মোবাইল এসএমএসের মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ থাকবে। ফল প্রকাশের আগে এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা জানানো হবে।
গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিল প্রায় সাড়ে ৫ লাখ এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (কিন্ডারগার্টেন) শিক্ষার্থী ছিল প্রায় ৯০ হাজার।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পাবে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ বৃত্তিতে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী নির্বাচিত হবে। ট্যালেন্টপুলে নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা মাসিক ৩০০ টাকা এবং সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসিক ২২৫ টাকা করে ভাতা পাবে। পাশাপাশি উভয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বার্ষিক এককালীন ২২৫ টাকা প্রদান করা হবে।

