ফিফা বিশ্বকাপে এবারের আগে সাতবার অংশ নেওয়া অস্ট্রিয়া শেষবার খেলেছিল ১৯৯৮ সালে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর তাদের প্রত্যাবর্তন হয়েছে স্বপ্নের মতো। জর্ডানের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে রাল্ফ রাংনিকের দল। এবার ‘জে’ গ্রুপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই তারা মুখোমুখি হচ্ছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার। ডালাসে আজকের ম্যাচে যে দল জিতবে, তারাই নিশ্চিত করবে নকআউট পর্বের টিকিট। সব তথ্য আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ও নির্ভরযোগ্য ক্রীড়া সূত্র থেকে যাচাই করা হয়েছে।
অস্ট্রিয়ার বিশ্বকাপ ইতিহাস বেশ সমৃদ্ধ। উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত প্রথম বিশ্বকাপে অংশ না নিলেও, ১৯৩৪ সালের ইতালি বিশ্বকাপে তারা ছিল শিরোপার অন্যতম দাবিদার। ১৯৩১ সাল থেকে টুর্নামেন্ট শুরুর আগ পর্যন্ত ২৮ ম্যাচে মাত্র দুটি হারের রেকর্ড গড়ে তারা ‘ওয়ান্ডার টিম’ নামে পরিচিতি পায়। সেই আসরে ফ্রান্স ও হাঙ্গেরিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল অস্ট্রিয়া। তবে সেমিফাইনালে স্বাগতিক ইতালির কাছে ১-০ গোলে হেরে তাদের স্বপ্নভঙ্গ হয়। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচেও জার্মানির কাছে ৩-২ গোলে হেরে চতুর্থ স্থান অর্জন করে দলটি।
দীর্ঘ বিরতির পর আবারও বিশ্বমঞ্চে ফিরে এসে অস্ট্রিয়া দেখিয়েছে তাদের পুরোনো লড়াকু মানসিকতার ঝলক। জর্ডানের বিপক্ষে জয় তাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে। এবার আর্জেন্টিনার মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে মাঠে নামতে যাচ্ছে তারা, যেখানে প্রতিটি মুহূর্তই হতে পারে ইতিহাস গড়ার সুযোগ।
অস্ট্রিয়ার ফুটবল ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স মিলিয়ে আজকের ম্যাচটি হতে যাচ্ছে গ্রুপ ‘জে’-এর সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইগুলোর একটি।

