দেশের প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা নির্ভুল করতে ২০১০ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত মোট ৬ হাজার ৪৭৬ জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিল করা হয়েছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
মন্ত্রী জানান, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ও মন্ত্রণালয়ের কাছে আসা অভিযোগগুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হয়। জামুকার উপকমিটির মাধ্যমে সরেজমিনে তদন্ত ও শুনানির পর অভিযোগ প্রমাণিত হলেই কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়। এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়াটি মন্ত্রণালয়ের একটি নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ।
অধিবেশনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রাপ্ত অভিযোগের ভিত্তিতে ৪৮১ জন ব্যক্তির গেজেট, লাল মুক্তিবার্তা এবং ভারতীয় তালিকা থেকে নাম বাতিল করা হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, অমুক্তিযোদ্ধাদের চিহ্নিত করে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়াটি চলমান থাকবে।

