ভোরের নরম আলোয় দিন শুরু করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরকে ভেতর থেকে সজীব করতে পারে মেথি ভেজানো পানির এক গ্লাস। প্রাচীন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত এই ভেষজ উপাদান আধুনিক স্বাস্থ্যচর্চাতেও সমানভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে। নিয়মিত খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি পান করলে শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমে ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায়।
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক
গবেষণায় দেখা গেছে, মেথি ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে এটি উপকারী হিসেবে বিবেচিত হয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য মেথি ভেজানো পানি একটি প্রাকৃতিক সহায়ক উপাদান হতে পারে।
কোলেস্টেরল কমাতে ভূমিকা
মেথিতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হ্রাসে সহায়তা করে। এর ফলে হৃদ্স্বাস্থ্যের উন্নয়নেও এটি ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।
ত্বক ও চুলের যত্নে কার্যকর
মেথি পানি শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, যা ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি ও ব্রণ-ফুসকুড়ি কমাতে সহায়ক। পাশাপাশি এটি চুল পড়া কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে।
হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় সম্ভাব্য প্রভাব
বিশেষ করে নারীদের হরমোনজনিত সমস্যায় মেথি উপকারী হতে পারে বলে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় উল্লেখ রয়েছে। নিয়মিত সেবনে হরমোনের স্বাভাবিক ভারসাম্য বজায় রাখতে এটি সহায়ক হতে পারে।
সেবন পদ্ধতি
রাতে এক চা-চামচ মেথি এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে সেই পানি পান করা যায়। চাইলে ভেজানো মেথিও চিবিয়ে খাওয়া যেতে পারে।
সতর্কতা
গর্ভবতী নারী এবং যাদের বিশেষ স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে, তাদের নিয়মিত সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

