টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক সময়ে নানা ধরনের নাটকীয়তা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ বাদ পড়লে পাকিস্তানও টুর্নামেন্ট বয়কট করতে পারে এমন ঘোষণা দেশটির পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও, এটি ভারতের সঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে কাজে লাগানোর কৌশল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। এদিকে জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে সুপার সিক্স পর্বে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও পাকিস্তানের মুখোমুখি লড়াই নিশ্চিত হয়েছে।
গ্রুপপর্বে টানা তৃতীয় ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত গ্রুপ ‘বি’র শীর্ষস্থান দখল করেছে। অন্যদিকে, দুই ম্যাচে দুই পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘সি’র দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। ফলে সুপার সিক্স পর্বে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি বুলাওয়েতে এক ও তিনে থাকা ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হবে।
বিশ্বকাপের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রুপ থেকে সুপার সিক্সে ওঠা তিনটি দল নিজেদের গ্রুপের অন্য সুপার সিক্স দলগুলোর বিপক্ষে অর্জিত পয়েন্ট সঙ্গে নিয়ে যায়। সুপার সিক্সে প্রতিটি দল দুটি করে ম্যাচ খেলবে এবং গ্রুপপর্বে যেসব দল ভিন্ন অবস্থানে ছিল, তাদের বিপক্ষেই এই পর্বে লড়াই হবে।
উদাহরণস্বরূপ, গ্রুপ ‘এ’র শীর্ষ দল সুপার সিক্সে গ্রুপ ‘ডি’র দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানের দলের বিপক্ষে খেলবে, তবে ‘ডি’ গ্রুপের শীর্ষ দলের সঙ্গে তাদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ থাকবে না। সুপার সিক্সে গ্রুপ ‘এ’ ও ‘ডি’ একত্রে একটি গ্রুপ গঠন করেছে, আর গ্রুপ ‘বি’ ও ‘সি’ রয়েছে অন্য গ্রুপে।
এই কাঠামোর ফলে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি শুধু ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে নয়, বরং সুপার সিক্সের পয়েন্ট পরিস্থিতির দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

