বিশ্বকাপের চূড়ান্ত স্কোয়াড ঘোষণার প্রাক্কালে বড় ধরনের ধাক্কা খেয়েছে ব্রাজিল জাতীয় ফুটবল দল। ফ্রান্সের বিপক্ষে হারের ক্ষত কাটিয়ে ওঠার আগেই সেলেসাও শিবিরে হানা দিয়েছে ইনজুরি। আগামী ১ এপ্রিল ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচের আগে দলের প্রধান তারকাদের ফিটনেস নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
সবচেয়ে বড় দুঃসংবাদ হয়ে এসেছে বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড রাফিনহার ইনজুরি। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে পড়ে প্রায় পাঁচ সপ্তাহের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন তিনি। ফলে ক্রোয়েশিয়া ম্যাচ তো বটেই, বিশ্বকাপের শুরুর দিকে তাকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে, দলের প্রাণভোমরা ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। শনিবার দলের নিয়মিত অনুশীলনে তাকে দেখা যায়নি। ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবো’ জানিয়েছে, ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচে উরুতে অস্বস্তি অনুভব করায় তাকে জিম ও মেডিকেল টিমের তত্ত্বাবধানে রাখা হয়েছে। যদিও বড় কোনো চোট ধরা পড়েনি, তবুও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্ট এর অংশ হিসেবে তাকে সতর্কভাবে রাখা হচ্ছে।
জাতীয় দলের পাশাপাশি ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও ভিনিসিয়াসের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন। আগামী ৮ এপ্রিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই রয়েছে লস ব্লাঙ্কোসদের। ফলে ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশনের (সিবিএফ) সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে স্প্যানিশ জায়ান্টরা।
সব খবরের মাঝে কিছুটা স্বস্তি হয়ে এসেছে ডিফেন্ডার মার্কুইনহোসের ফিরে আসা। কোমরের সমস্যার কারণে ফ্রান্সের বিপক্ষে না খেললেও বর্তমানে তিনি দলের সঙ্গে পূর্ণ অনুশীলনে ফিরেছেন।
চোটের কারণে একাদশে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিয়েছেন আনচেলত্তি। অনুশীলনে রক্ষণভাগে দানিলো ও ব্রেমারের সঙ্গে নতুন কম্বিনেশন পরীক্ষা করা হয়েছে। ক্যাসেমিরো ও আন্দ্রে সান্তোসকে মাঝমাঠ সামলানোর দায়িত্ব দিয়ে দলকে দুটি ভিন্ন গ্রুপে ভাগ করে ঝালিয়ে নিয়েছেন কোচ।

