দখলদার ইসরায়েলের হামলায় নিহত হয়েছেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি। বিবৃতিতে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইরানের সুপ্রীম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে আলি লারিজানির ওপর হামলা চালায় ইসরায়েল। এরপর তারাই প্রথম তার মৃত্যুর দাবি করে। এর প্রায় একদিন পর বুধবার রাত ইরান নিশ্চত করে লারিজানি নিহত হয়েছেন।
নিরাপত্তা কাউন্সিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান ও ইসলামী বিপ্লবের উন্নতির জন্য সারাজীবন সংগ্রামের পর তিনি শহিদত্ব লাভ করেছেন। লারিজানি পশ্চিমাদের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা ও ইরানি সংসদের স্পিকারের পদে কাজ করেছেন। তিনি সর্বশেষ তেহরানে আল-কুদস ডে র্যালিতে উপস্থিত ছিলেন।
ইজারায়েলি কর্মকর্তারা হত্যার দাবি স্বীকার করে এটিকে ‘ইরান শাসকদের সক্ষমতা শেষ করার পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ধাপে ধাপে ইরানি জনগণকে তাদের সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সুযোগ দেয়া হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরান এবং ইসলামি বিপ্লবের আদর্শকে সমুন্নত রাখার আমৃত্যু সংগ্রাম শেষে, অবশেষে আলি লারিজানি তার দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ করলেন। সত্যের ডাকে সাড়া দিয়ে, দেশ ও জাতির সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে তিনি লাভ করলেন শাহাদাতের পরম গৌরব।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় প্রাণ হারান সাবেক সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। এরপর ডি ফ্যাক্টো সুপ্রিম লিডারে পরিণত হন লারিজানি। তার কমান্ডেই ইরান যুদ্ধ পরিচালনা করছিল। জানা যায়, খামেনি প্রাণ হারানোর আগে বলে গিয়েছিলেন, তার মৃত্যু হলে দায়িত্ব পালন করবেন লারিজানি।

