নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় তীব্র লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা কার্যক্রম ও কৃষিকাজেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
বিদ্যুৎ সংকটের কারণে উপজেলার বিভিন্ন শিল্পকারখানা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের উৎপাদন কমে গেছে। অনেক উদ্যোক্তা বাধ্য হয়ে জেনারেটর ব্যবহার করলেও এতে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি বাড়ছে। রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘুম ও দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হচ্ছে।
কৃষকরাও পড়েছেন সমস্যায়। সময়মতো সেচ দিতে না পারায় অনেক জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা। একইভাবে বিদ্যুৎনির্ভর অটোরিকশাচালকরাও গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় আয় কমে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাতেও এর প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া শিক্ষার্থীরা রাতে বিদ্যুৎ না থাকায় সমস্যায় পড়ছে।
নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১-এর সোনারগাঁ জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম জানান, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ উৎপাদন কম থাকায় লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

