প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সব স্তরের সিগারেটের ন্যূনতম খুচরা মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার লক্ষ্য সামনে রেখে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, নিম্নস্তরের সিগারেটের ১০ শলাকার প্যাকেটের মূল্য ৬০ টাকা থেকে ৬২ টাকা, মধ্যম স্তরের ৮০ টাকা থেকে ৯২ টাকা, উচ্চস্তরের ১৪০ টাকা থেকে ১৬০ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের ১৮৫ টাকা থেকে ২১০ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ প্রস্তাব কার্যকর হলে নিম্নস্তরের জনপ্রিয় ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে নেভি, রয়েল ও ডার্বির প্রতি শলাকার দাম প্রায় ৭ টাকায় পৌঁছাতে পারে। একইভাবে মধ্যম স্তরের সিগারেটের প্রতি শলাকার মূল্য ১০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। উচ্চস্তরের ব্র্যান্ডগুলোর মধ্যে গোল্ড লিফের প্রতি শলাকার মূল্য ১৬ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের ব্র্যান্ড বেনসন অ্যান্ড হেজেসের প্রতি শলাকার মূল্য ২১ টাকা নির্ধারিত হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, প্রস্তাবিত মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর হলে নিম্নস্তরের সিগারেটে প্রায় ১ টাকা, মধ্যম ও উচ্চস্তরের সিগারেটে ১ থেকে ২ টাকা এবং অতি উচ্চস্তরের সিগারেটে সর্বোচ্চ ৩ টাকা পর্যন্ত দাম বৃদ্ধি পেতে পারে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে, অন্যদিকে তামাকজাত পণ্যের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার প্রচেষ্টাও জোরদার হবে।

