কুমিল্লার দাউদকান্দিতে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় ছাত্রশিবির নেতা জিসান আহমেদকে সংগঠন থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ।
শনিবার (১৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এস এম ফরহাদ জানান, জিসান আহমেদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিষয়ে সংগঠনটি পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি দাবি করেন, জিসানকে উদ্ধারের পর থেকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সংগঠনের প্রতিনিধি কিংবা পরিবারের সদস্যদের তার সঙ্গে যোগাযোগের সুযোগ দেওয়া হয়নি। ফলে নিখোঁজ ও পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে সরাসরি কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, মামলার বাদী তরুণীর পরিবারের পক্ষ থেকেও প্রশাসনের হেফাজতে থাকার কারণে তার সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি বলে দাবি করা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে তারা পূর্ণাঙ্গ তথ্য জানার সুযোগ পাননি। তবে জিসান আহমেদ ও ওই তরুণীর মধ্যে পূর্ব থেকে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে পরিবারের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়েছে।
ছাত্রশিবিরের প্রচার সম্পাদক বলেন, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সীমাবদ্ধতার কারণে ঘটনার প্রকৃত বাস্তবতা এখনো পুরোপুরি উদ্ঘাটন সম্ভব হয়নি। তবে প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়ায় সাংগঠনিক নীতিমালা অনুযায়ী জিসান আহমেদকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অভিযোগের বিষয়ে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হলে ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে সংগঠনটি।

