স্থল হামলার প্রস্তুতি নিয়ে হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগের পর প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভেট জানিয়েছেন, সামরিক পরিকল্পনা তৈরি করা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত কাজ। তার ভাষায়, এসব পরিকল্পনা করা মানে এই নয় যে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইতোমধ্যে ইরানে স্থল হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। বরং সর্বাধিনায়কের সামনে একাধিক বিকল্প রাখতেই এসব পরিকল্পনা করা হয়।
তবে পরিকল্পনাগুলো এতটাই বিস্তারিত যে, স্থল হামলা হলে ইরানের সেনা ও প্যারামিলিটারি সদস্যদের আটক করা হলে তাদের সঙ্গে কী করা হবে, কোথায় পাঠানো হবে এসব বিষয়ও নির্দিষ্ট করে রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গেলে স্থল হামলার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
এদিকে গত কয়েকদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক হাজার মেরিন সেনা পাঠানো শুরু করেছে যুক্তরাজ্য। ধারণা করা হচ্ছে, তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে অঞ্চলটিতে পৌঁছে যাবে। জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা ইরানে সম্ভাব্য স্থল হামলার জন্য বিশেষ পরিকল্পনা প্রস্তুত করতে অনুরোধ করেছেন বলেও জানা গেছে।
তবে ইরানে সেনা পাঠানো হবে কি না, সে বিষয়ে ট্রাম্প এখনো গভীরভাবে চিন্তাভাবনা করছেন। গত মঙ্গলবার তিনি জানান, তিনি ইরানে কোনো স্থল সেনা পাঠাবেন না। তবে একই সঙ্গে সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “যদি আমি সেনা পাঠাইও, তাহলে এখন আপনাদের বলব না।”

