দেশে ব্যান্ডউইথের চাহিদা দ্রুত বাড়লেও সাবমেরিন ক্যাবল নির্মাণে পিছিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট সংযোগের প্রধান ভরসা সরকারি দুটি ক্যাবল সি-মি-উই-৪ ও সি-মি-উই-৫। এতে একটি ক্যাবলে ত্রুটি বা রক্ষণাবেক্ষণ হলে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
প্রতি দুই বছরে ব্যান্ডউইথের চাহিদা প্রায় দ্বিগুণ হচ্ছে। ২০২৬ সালে দেশের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের চাহিদা প্রায় ১৩ দশমিক ৫ টেরাবিটে পৌঁছেছে, যা ২০২৮ সালে প্রায় ২৭ টেরাবিট এবং ২০৩০ সালে ৫৪ টেরাবিটে উঠতে পারে।
এদিকে বেসরকারি সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পের কাজ অনেকটা এগোলেও চূড়ান্ত অনুমোদন ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা আটকে আছে। প্রকল্পে ইতোমধ্যে ৩২ মিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগ হয়েছে এবং বাংলাদেশ অংশে মাত্র ১৬৫ কিলোমিটার ক্যাবল স্থাপনের কাজ বাকি রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন সাবমেরিন ক্যাবল হলে আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথের সরবরাহ বাড়বে, ইন্টারনেটের দাম কমতে পারে এবং ল্যাটেন্সি কমে সেবার মান বাড়বে। অন্যদিকে, শুধু দুটি ক্যাবলের ওপর নির্ভরতা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে ব্যান্ডউইথ সংকট ও ইন্টারনেট বিপর্যয়ের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

