বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন দলটির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রবিবার (৯ আগস্ট) বিএনপির স্থায়ী কমিটির এক জ্যেষ্ঠ সূত্র এই চাঞ্চল্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

দলীয় সূত্রগুলো জানায়, এর আগে জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্রপতির পদে প্রার্থী মনোনয়নের একক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে। সংসদীয় নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় এবং বর্তমান সংসদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তারেক রহমান কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গভবনে যাওয়া এখন স্রেফ সময়ের ব্যাপার। ইতিমধ্যে নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে বিএনপির পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।

নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট দেশে ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ভোটগ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অন্য কোনো রাজনৈতিক দল প্রার্থী না দিলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত হবেন। উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর পদটি শূন্য হয়। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সামলে আসা বিএনপির ‘মহাসচিব’ পদটি শূন্য হবে। ২০১১ সালে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিবের দায়িত্ব নেওয়া মির্জা ফখরুল ক্ষমতার বাইরে থাকা অবস্থায় দল পুনর্গঠন ও আন্দোলনে অন্যতম রাজপথের কাণ্ডারী হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন। আসন্ন কাউন্সিলের আগে মহাসচিব পদের শূন্যতায় রুহুল কবির রিজভীসহ বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে এবং আপাতত একজন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নিয়োগ দেওয়া হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছে দলীয় সূত্র।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *