সৌদি আরবে আগামী বুধবার (২৭ মে) পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। সেই হিসেবে ২৯ মে এবারের হজের শেষ দিন নির্ধারিত হয়েছে। হজযাত্রীদের নির্বিঘ্ন সেবা নিশ্চিত করতে সৌদির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা চালু করেছে। ক্যাম্পে যাতায়াত, পবিত্র স্থানগুলোতে সেবার মান পর্যবেক্ষণ, দিকনির্দেশনা প্রদান এবং হজযাত্রীদের নির্ধারিত স্থানে পৌঁছাতে সহায়তা সবকিছুই এই ব্যবস্থার আওতায় রাখা হয়েছে।
২০২৬ সালের হজ মৌসুমের অনুমোদিত কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী মন্ত্রণালয় মিনায় আবাসন, খাদ্য, পরিবহন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার সার্বিক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। মাঠপর্যায়ে দ্রুত সমস্যা শনাক্ত ও সমাধানের জন্য নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এসব প্রচেষ্টা হজযাত্রীদের অবস্থানের প্রথম দিনগুলোতেই সেবার মান বাড়াতে সহায়তা করছে।
মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে হজযাত্রীরা পবিত্র কাবা শরিফ সাতবার তাওয়াফ সম্পন্ন করেছেন। হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এবারের হজে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৫ লাখ মুসলিম সৌদিতে এসেছেন। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সৌদির কয়েক লাখ স্থানীয় হজযাত্রীও।
ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের একটি হলো হজ। সামর্থ্যবান প্রত্যেক মুসলিম নারী–পুরুষের জন্য জীবনে অন্তত একবার হজ করা ফরজ। হজের আচার-অনুষ্ঠান চলে ছয় দিন ঈদুল আজহার তিন দিন আগে শুরু হয়ে ঈদের দুই দিন পর শেষ হয়। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার মধ্যেও সোমবার (২৫ মে, ৮ জিলহজ) থেকে সৌদিতে আনুষ্ঠানিকভাবে হজের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। রোববার রাত থেকেই হজযাত্রীরা মক্কা থেকে মিনায় যাত্রা শুরু করেছেন।

