রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে নিয়ে সমালোচনা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি আম্মারসহ আরও অনেকের নেতৃত্বে আসার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
উমামার দাবি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের সঙ্গে যাদের ন্যূনতম সম্পর্ক ছিল না, তাদের কয়েকজন পরবর্তী সময়ে নেতৃত্বে এসেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি সালাউদ্দিন আম্মারের নাম উল্লেখ করেন এবং জুলাই আন্দোলনের সময় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনকে বাদ দিয়ে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর লোকজনকে সমন্বয়ক কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ করেন।
স্ট্যাটাসে উমামা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ম্যানিপুলেশন ও ‘ম্যানুফ্যাকচারড কনসেন্ট’ তৈরির আশঙ্কার কথাও বলেন। তার ভাষ্য, তরুণদের মধ্যে কিছু ব্যক্তিকে পরিকল্পিতভাবে জনপ্রিয় করে তোলার মাধ্যমে তাদের রাজনৈতিক সম্ভাবনাকে নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে সীমাবদ্ধ করার চেষ্টা চলছে।
এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই বলেও মন্তব্য করেন উমামা। তার এসব বক্তব্য মূলত তার ব্যক্তিগত ফেসবুক স্ট্যাটাসে দেওয়া মন্তব্য; প্রকাশিত প্রতিবেদনে সালাউদ্দিন আম্মারের পক্ষ থেকে এ বক্তব্যের তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি।

