গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১২ দিনে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আহত হয়ে ৩০ জনেরও বেশি মার্কিন সেনা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বুধবার সিবিএসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
হাসপাতালে ভর্তি সেনাদের মধ্যে অনেকে ব্রেইন ট্রমা, আগুনে পোড়া এবং শার্পনেলের আঘাতে আহত হয়েছেন। অন্তত একজন সেনা অঙ্গহানির মুখে চিকিৎসকদের মতে, তার একটি পা কেটে ফেলতে হবে।
আহত ৩৮ জনের মধ্যে ১৩ জনকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে। সিবিএসের তথ্যমতে, একজন টেক্সাসের ব্রুক আর্মি মেডিকেল সেন্টারে এবং ১২ জন ওয়াশিংটনের কাছে ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসাধীন। বাকি ২৫ জন জার্মানির ল্যানস্তুল রিজিওনাল মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
পেন্টাগন জানিয়েছে, এই ৩৮ সেনার মধ্যে অন্তত ৫ জনের অবস্থা গুরুতর।
কুয়েতে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে আর্মি সেন্ট্রালের ফরওয়ার্ড সদর দপ্তর ‘ক্যাম্প আরিফজান’, ইরাক সীমান্ত থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দূরের ‘আলী আল সালেম’ বিমানঘাঁটি যা রুক্ষ পরিবেশের কারণে ‘দ্য রক’ নামে পরিচিত এবং ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধের সময় প্রতিষ্ঠিত ‘ক্যাম্প বুহেরিং’, যা বর্তমানে ইরাক-সিরিয়ায় মোতায়েন মার্কিন সেনাদের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মার্কিন ঘাঁটির মতো কুয়েতের ঘাঁটিগুলোতেও ইরান মুহুর্মুহু ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করছে। অধিকাংশ প্রতিহত করা গেলেও কয়েকটি আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।
পেন্টাগনের মুখপাত্র সিন পার্নেল সিবিএসকে জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর গত ১১ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটিতে আহত হয়েছেন প্রায় ১৪০ জন মার্কিন সেনা।

