সংযুক্ত আরব আমিরাতে দেড় মাসের বেশি সময় কারাবন্দি থাকার পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গত ৩০ জুলাই তিনি কারামুক্ত হন। এর আগে ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন। পারিবারিক সূত্রের দাবি, মুক্তির পর তিনি ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব না হওয়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইন্টারপোলের রেড নোটিশ আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়; এটি কেবল একজন পলাতক ব্যক্তিকে শনাক্ত বা সাময়িকভাবে আটক করার অনুরোধ। কাউকে প্রত্যর্পণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট দেশের আদালত ও সরকারের ওপর নির্ভর করে।
বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, কোনো ব্যক্তি যদি অন্য দেশের নাগরিকত্ব বা বৈধ পাসপোর্ট গ্রহণ করে থাকেন, তাহলে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া আরও জটিল হয়ে পড়ে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে বেনজীর আহমেদের তুরস্কের নাগরিকত্ব ও পাসপোর্ট গ্রহণের দাবি প্রকাশিত হলেও এ বিষয়ে তার পক্ষ বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেয়নি।
এদিকে, দুবাই পুলিশ বেনজীর আহমেদের বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশে অপারগতার কথা জানিয়েছে। অন্যদিকে, পুলিশ সদরদপ্তরের ইন্টারপোল শাখার কর্মকর্তারাও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করতে রাজি হননি। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত নথি আদালতে পর্যালোচনার পর শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেওয়া হয়। আদালতের শর্ত অনুযায়ী, তিনি দুবাই ত্যাগ করতে পারবেন না এবং তার পাসপোর্ট কর্তৃপক্ষের কাছেই জমা রয়েছে।

