আইফোন ১৮ প্রো বাজারে আসার সময় নিয়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে। অ্যাপল আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে, আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ক্যালিফোর্নিয়ার স্টিভ জবস থিয়েটারে অনুষ্ঠিত হবে তাদের বিশেষ লঞ্চ ইভেন্ট। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী অনুষ্ঠানটি রাত ১১টায় শুরু হতে পারে। এবারের ইভেন্টের মূল প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’। প্রতি বছরের মতো সেপ্টেম্বরের এ আয়োজন অ্যাপলের বাণিজ্যিক কৌশলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বছরের শেষ প্রান্তিকের উৎসবকেন্দ্রিক কেনাকাটাকে লক্ষ্য রেখেই এই সময়ে নতুন ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসটি আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।
প্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য সূত্র ও ফাঁস হওয়া তথ্যানুযায়ী, আইফোন ১৮ প্রো মডেলে উন্নত প্রসেসর ও ক্যামেরা প্রযুক্তির সংযোজন দেখতে পাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। নতুন এ হ্যান্ডসেটে অ্যাপলের অত্যাধুনিক এ২০ প্রো চিপসেট এবং ১২ জিবি র্যাম অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে। এ ছাড়া এতে ডাইনামিক আইল্যান্ডের আকার ছোট করার পাশাপাশি আরও উন্নত এলটিপিও+ ডিসপ্লে প্রযুক্তি ব্যবহারের গুঞ্জন রয়েছে। ক্যামেরা বিভাগে পরিবর্তনশীল অ্যাপারচারসহ ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেন্সরের সংযোজন প্রযুক্তিপ্রেমীদের মাঝে বিশেষ আগ্রহ তৈরি করেছে। ব্যাটারির ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও আলোচনায় স্থান পেয়েছে।
প্রযুক্তির উন্নতির পাশাপাশি মেমরি উপাদানের বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে আইফোন ১৮ প্রো-এর মূল্যে ঊর্ধ্বমুখী প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই পরিকাঠামোর ব্যাপক প্রসারে যন্ত্রাংশের বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর যে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়েছে, সেটিই উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির মূল কারণ বলে ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিভিন্ন প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফোনটির প্রারম্ভিক দর পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। তবে সেপ্টেম্বর ইভেন্টে অ্যাপল নিজ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এসব স্পেসিফিকেশন ও সম্ভাব্য মূল্যের বিষয়টিকে পুরোপুরি নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।

