প্রধান খবর

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ট্রাম্পকে ইরানের ফের হুঁশিয়ারি

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক বা বর্তমান কোনো প্রস্তাব ও আঞ্চলিক নীতির কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী নিয়ে ওয়াশিংটনকে ফের নতুন করে চরম হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির খাতামুল আম্বিয়া (সা.) কেন্দ্রীয় সদর দফতর স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে যেসকল দেশ বা প্রতিষ্ঠান ইরানের অবরুদ্ধ বা জব্দ করা তহবিল থেকে অর্থ গ্রহণ করবে, তাদের কোনো জাহাজকে আর এই প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দেওয়া হবে না।

এক প্রতিবেদনে এই কড়া সতর্কবার্তার তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়, সাম্প্রতিক এক ঘোষণায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন—আঞ্চলিক অনিরাপত্তা ও সমুদ্রপথ ব্যবহারের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ইরানের আন্তর্জাতিকভাবে জব্দকৃত তহবিল থেকেই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। যুক্তরাষ্ট্রের এই উদ্যোগকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা উসকে দেওয়ার আগ্রাসী পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন খাতামুল আম্বিয়া (সা.) হেডকোয়ার্টারের মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি।

মুখপাত্র ইব্রাহিম জুলফাকারি এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করে বলেন, “এই ধরনের অবৈধ এবং একপাক্ষিক সিদ্ধান্তের মাশুল যুক্তরাষ্ট্র ও তার সহযোগীদেরই গুনতে হবে।” তিনি স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দেন যে, কোনো রাষ্ট্র বা আন্তর্জাতিক নৌ-পরিবহন সংস্থা যদি মার্কিনদের এই প্রস্তাব গ্রহণ করে ইরানের অর্থ বা ক্ষতিপূরণ দাবি করে, তবে তাদের যেকোনো ধরনের জাহাজকে হরমুজ প্রণালীতে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করা হবে।

ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী এই সিদ্ধান্ত কঠোর ও নিরবচ্ছিন্নভাবে বাস্তবায়ন করবে বলেও জানান তিনি। বিশ্ব বাণিজ্যে তেলের অন্যতম প্রধান ট্রানজিট রুট হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালীতে ইরানের এই কঠোর অবস্থানের ফলে বৈশ্বিক নৌ-চলাচল ও জ্বালানি সরবরাহ লাইনে নতুন করে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *