অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকাজুড়ে নতুন করে আবারও ভয়াবহ ও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী। সাম্প্রতিক এই হামলায় অন্তত একজন ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ২২ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। এতে পুরো উপত্যকায় নতুন করে চরম আতঙ্ক ও মানবিক বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।
গাজা সিটির একটি ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকা থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের জোরপূর্বক বের করে দেওয়ার পর এই বিমান ও স্থল হামলা চালানো হয়। ইসরায়েলি বাহিনীর নারকীয় এ হামলায় গাজার একটি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী মসজিদ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। তাছাড়া মসজিদের আশপাশে অবস্থান নেওয়া গৃহহীন বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের বেশ কিছু আশ্রয় শিবির ও তাঁবু ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে, গাজার মধ্যভাগের নুসেইরাত শরণার্থীশিবিরে চালানো পৃথক এক বিমান হামলায় আরও এক ফিলিস্তিনির মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেখানেও নিরীহ মানুষদের লক্ষ্য করে আকস্মিক বোমা বর্ষণ করা হয়। দখলদারদের একের পর এক বিমান ও রকেট হামলায় গাজার সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং প্রাণ বাঁচাতে মানুষ দিশেহারা হয়ে ছুটছেন।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ অঞ্চলে আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন তোয়াক্কা না করেই বেসামরিক অবকাঠামো, উপাসনালয় ও শরণার্থীশিবিরে নিয়মিত এমন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে আহতদের উদ্ধার করে নিকটস্থ চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতে নেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

