বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়ে আলোচনায় উঠে আসা ঘানার গোলরক্ষক বেঞ্জামিন আসারে এবার নিজের ক্লাবের জন্যও সুখবর বয়ে এনেছেন। বিশ্বকাপ স্কোয়াডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় তার ক্লাব হার্টস অব ওক ফিফার বিশেষ আর্থিক সুবিধা কর্মসূচির আওতায় তিন কোটি টাকারও বেশি অর্থ পেতে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে ঘানার দলে একমাত্র দেশীয় লিগভিত্তিক খেলোয়াড় হিসেবে জায়গা পান ৩৩ বছর বয়সী আসারে। প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক লরেন্স আতি জিগির চোটের কারণে সুযোগ পেয়ে নিজেকে প্রমাণ করেন তিনি। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে প্রশংসা কুড়ান এই গোলরক্ষক।
ফিফার ‘ক্লাব বেনিফিটস প্রোগ্রাম’-এর আওতায় বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী ফুটবলারদের ক্লাবকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। জাতীয় দলের সঙ্গে খেলোয়াড়ের সম্পৃক্ততার সময়ের ভিত্তিতে ক্লাবগুলো নির্ধারিত অর্থ পায়। এই কর্মসূচি ফিফা ও ইউরোপিয়ান ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত হয়।
হিসাব অনুযায়ী, ঘানা যদি গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়, তবুও বেঞ্জামিন আসারের অংশগ্রহণের কারণে হার্টস অব ওক অন্তত আড়াই লাখ মার্কিন ডলার পাবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় তিন কোটি টাকা। দলটি নকআউট পর্বে এগোলে এই অঙ্ক আরও বাড়বে।
ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে, ঘানার প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক বাস্তবতায় এই অর্থ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাবটির অবকাঠামো উন্নয়ন, যুব একাডেমি পরিচালনা এবং নতুন প্রতিভা বিকাশে এ অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে বিশ্বকাপের মঞ্চে আসারের সাফল্য শুধু জাতীয় দলের জন্য নয়, তার ক্লাবের ভবিষ্যতের জন্যও ইতিবাচক বার্তা নিয়ে এসেছে।

