যুক্তরাষ্ট্র বিদেশে আটকে থাকা ইরানের ১ হাজার ২০০ কোটি ডলার মুক্ত করার বিষয়ে সম্মতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ। তিনি জানান, সুইজারল্যান্ডে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর এ বিষয়ে একটি সমঝোতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
গালিবাফের ভাষ্য অনুযায়ী, সমঝোতার অংশ হিসেবে ইরানের তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য রপ্তানির ওপর আরোপিত কিছু নিষেধাজ্ঞাও সাময়িকভাবে শিথিল করা হয়েছে। মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আগামী ১ আগস্ট পর্যন্ত ইরানকে তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বিক্রির অনুমতি দেওয়া হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দিতে ইরানের সম্মতির পর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় ১৮ ঘণ্টাব্যাপী টানা আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশ এ অগ্রগতিতে পৌঁছায়। আলোচনায় কাতার ও পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ছাড় করা অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য ক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত হবে। তবে এ বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্ণ অধিকার ইরানের এবং দেশটিকে কোনো নির্দিষ্ট খাতে ব্যয় করতে বাধ্য করা যাবে না।

