দেশের কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাপানি ভাষা শিক্ষা চালুর দাবি ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল, কলেজ ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোতে জাপানি ভাষা শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি করা গেলে জাপানের বিশাল শ্রমবাজারে বাংলাদেশি দক্ষ জনশক্তির প্রবেশ আরও সহজ হবে।
বর্তমানে দেশে শতাধিক সরকারি কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বছরে লাখো শিক্ষার্থীকে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের অভিমত, কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি বিদেশি ভাষা, বিশেষ করে জাপানি ভাষা শেখানোর ব্যবস্থা করা গেলে আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।
জাপানে কর্মক্ষম জনসংখ্যা হ্রাস পাওয়ায় দেশটিতে বিদেশি শ্রমিকের চাহিদা বাড়ছে। নির্মাণ, কৃষি, কেয়ারগিভার, উৎপাদন ও বিভিন্ন কারিগরি খাতে দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন রয়েছে। তবে ভাষাগত দক্ষতার অভাবে বাংলাদেশের অনেক সম্ভাবনাময় কর্মী এ সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাপানি ভাষা শিক্ষা চালুর পাশাপাশি জাপানফেরত দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের পুনরায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে সরকারকে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে। এতে একদিকে যেমন বৈদেশিক কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহও বৃদ্ধি পাবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সময়োপযোগী পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা গেলে জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

