রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ঈদুল আজহার ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরা মানুষের চাপ সোমবার (১ জুন) সকাল থেকে বাড়তে শুরু করেছে। যাত্রী ও যানবাহনের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেলেও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং পর্যাপ্ত ফেরি চলাচলের কারণে বড় ধরনের কোনো ভোগান্তির সৃষ্টি হয়নি। সরেজমিনে দেখা যায়, যাত্রীবাহী বাস, মাইক্রোবাস, মাহিন্দ্র, মোটরসাইকেলযোগে ঘাটে এসে মানুষজন লঞ্চ ও ফেরিতে নদী পার হচ্ছেন।
আবার অনেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে সরাসরি পরিবহনযোগে নদী পার হয়ে কর্মস্থলে ফিরছেন। এতে ঘাট এলাকায় যানবাহনের চাপ বাড়লেও ছোট গাড়ির মধ্যে মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাসের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো।
ঘাট সূত্র জানায়, নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে আগেই সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ঘাটে আসা প্রতিটি বাস থেকে যাত্রী নামিয়ে ফাঁকা বাস ফেরিতে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ঘাটে নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় নৌ-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, আনসার সদস্য, স্বেচ্ছাসেবকসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করছেন।
সাভারগামী যাত্রী রেজা বলেন, পরিবার নিয়ে বাড়িতে ঈদ করতে গিয়ে কোনো ভোগান্তি হয়নি। একইভাবে কর্মস্থলে ফিরতেও কোনো সমস্যা হয়নি। মহাসড়ক ও ঘাট এলাকায় যানজট নেই, তবে কিছু যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
ঢাকার যাত্রাবাড়ীগামী আরেক যাত্রী বলেন, গত ঈদের দুর্ঘটনার পর সরকার ও ঘাট কর্তৃপক্ষ আরও সতর্ক হয়েছে। তাই এবার ঘাটে কোনো অব্যবস্থাপনা চোখে পড়েনি। অফিস খোলার কারণে সকালেই রওনা হয়েছেন তিনি।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন জানান, ঢাকামুখী মানুষ ও যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে, তবে দৌলতদিয়া প্রান্তে কোনো ভোগান্তি নেই। বর্তমানে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ছোট-বড় ১৫টি ফেরি চলাচল করছে।

