চট্টগ্রাম বন্দরের অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে ১৫ কর্মচারীর নাম উল্লেখ করে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের অনুরোধ জানানো হয়েছে। চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে নৌপরিবহন উপদেষ্টার দপ্তর, দুদক এবং জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালকের কাছেও।
চিঠিতে বলা হয়েছে, এই কর্মচারীরা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তারা যেন দেশত্যাগ করতে না পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। দুদককে তাদের সম্পদ অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধও জানানো হয়েছে।
তালিকায় রয়েছেন চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীর ও মো. ইব্রাহিম খোকনসহ আরও ১৩ জন। আন্দোলনের সময় তাদের প্রেষণে মোংলা ও পায়রা বন্দরে বদলি করা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ডিপি ওয়ার্ল্ডকে লিজ দেওয়ার প্রতিবাদে ৩১ জানুয়ারি থেকে কর্মবিরতি শুরু হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে অনির্দিষ্টকালের কর্মসূচি শুরু হলে আমদানি রপ্তানি কার্যক্রমসহ প্রায় সব অপারেশনাল কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন চট্টগ্রামে গিয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেন। তাঁর আশ্বাসে শ্রমিকেরা শুক্রবার ও শনিবার দুদিনের জন্য আন্দোলন স্থগিত করেন।

