কুড়িগ্রামের রৌমারীসহ বিভিন্ন সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের পুশইন ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পাহারা দিচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। গত পাঁচ দিন ধরে মধ্যরাত থেকে ভোররাত পর্যন্ত ট্রাকে করে লোকজনকে সীমান্তে এনে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিএসএফ। সুযোগ বুঝে সীমান্তের সার্চলাইট বন্ধ করে অন্ধকারে পুশইনের চেষ্টা চালানো হলেও বিজিবি, আনসার, গ্রাম পুলিশ ও স্থানীয়দের কঠোর নজরদারির কারণে প্রতিবারই ব্যর্থ হচ্ছে তারা।
শুক্রবার সীমান্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল ছিল বলে জানিয়েছে কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও জামালপুরের বিজিবি সূত্র। এখন পর্যন্ত নতুন কোনো পুশইনের ঘটনা ঘটেনি। তবে বিজিবি সদস্যরা টহল আরও জোরদার করেছেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে সমন্বয় করে সীমান্তজুড়ে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার যাত্রাপুর ফাঁড়ি এলাকার বাসিন্দা আরিফুর রহমান, আমিনুল ইসলাম ও জাহিদ হোসেনসহ স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পুশইন ঠেকাতে বিজিবির সঙ্গে তারা রাতভর পাহারা দিচ্ছেন। তাদের ভাষায়, সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষায় সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন।

