আগামী ২৬ আগস্ট পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সরকার। বুধবার (১৯ আগস্ট) ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গত ১৩ আগস্ট আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় দিবসটির কর্মসূচি চূড়ান্ত করা হয়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণী দেবেন। সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, বেসরকারি ভবন ও সশস্ত্র বাহিনীর স্থাপনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়কও জাতীয় ও রঙিন পতাকা এবং কালিমা তায়্যিবাসংবলিত ব্যানারে সজ্জিত করা হবে।
দেশের মসজিদগুলোতে দোয়া মাহফিল এবং বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ওয়াজ মাহফিল, সেমিনার, টকশো, কিরাত, হামদ-নাত, কবিতা পাঠ ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন থাকবে। বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ প্রান্তে মাসব্যাপী ইসলামিক বইমেলারও আয়োজন করা হবে।
এ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও কর্ম, ইসলামের শান্তি, সৌহার্দ্য, সহিষ্ণুতা, বিশ্বভ্রাতৃত্ব, মানবাধিকার ও নারীর মর্যাদা বিষয়ে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল, রচনা ও কুইজ প্রতিযোগিতাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হবে।
দিবসটি উপলক্ষে হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু সদন ও প্রবীণ নিবাসে উন্নতমানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হবে। বিদেশে বাংলাদেশি দূতাবাস ও মিশনগুলোতেও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে। পাশাপাশি শান্তি ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

