সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর-কালীগঞ্জ আংশিক) আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলাম ভাইরাল ভিডিও নিয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ভিডিওটি ঢাকার মগবাজারে একটি ব্যবসায়িক কার্যালয়ে ধারণ করা হয়েছে এবং ভিডিওতে থাকা ১৮ বছর বয়সী মরিয়ম বেগম তার দ্বিতীয় স্ত্রী।
লিখিত বিবৃতিতে তিনি জানান, গত ১৩ জুলাই প্রথম স্ত্রী, দ্বিতীয় স্ত্রী, শ্বশুর এবং ব্যক্তিগত গাড়িচালককে নিয়ে ওই কার্যালয়ে যান। সেখানে অবস্থানকালে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি প্রবেশ করে তাদের পরিচয় জানতে চেয়ে হেনস্তা করেন এবং পরে চাঁদা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এমপির দাবি, তার গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহ পূর্বপরিকল্পিতভাবে ঘটনাটি ঘটান এবং পরবর্তীতে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অফিসের সিসিটিভি ফুটেজ ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ও কুরুচিপূর্ণ ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তিনি এ ঘটনাকে ব্ল্যাকমেইল ও চরিত্র হননের অপচেষ্টা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
গাজী নজরুল ইসলাম ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও তার বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

