সিলেটের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলমকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে সংযুক্ত করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনটি জারি হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেক ব্যবহারকারী সারওয়ার আলমের বিভিন্ন প্রশাসনিক উদ্যোগের প্রশংসা করে তার প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। বিশেষ করে সিলেটে সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে তার ভূমিকার প্রসঙ্গ উঠে আসে বিভিন্ন পোস্টে।
কয়েকজন নেটিজেন দাবি করেন, জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন। সম্প্রতি হযরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহপরাণ (রহ.) মাজারের আয়-ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নেওয়া পদক্ষেপও আলোচনায় এসেছে। এসব উদ্যোগের সঙ্গে তার প্রত্যাহারের সময়কালকে মিলিয়ে অনেকে নানা ধরনের মন্তব্য করেছেন।
তবে সরকারি আদেশে প্রত্যাহারের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা মতামত ও বিশ্লেষণ সামনে আসছে। কেউ কেউ এ সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেও, বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রশাসনিক এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে জনমনে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত মতামতগুলো ব্যক্তিগত অভিমত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ব্যাখ্যার অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

