ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি সম্বলিত সীমিত সংখ্যক স্মারক পাসপোর্ট তৈরি করা হবে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মঙ্গলবার এই খবর জানিয়েছে। মার্কিন নাগরিকরা এই স্মারক পাসপোর্ট নেওয়ার সুযোগ পাবেন কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এই সীমিত সংখ্যক স্মারক পাসপোর্টের একটি পেতে কোনো অতিরিক্ত ফি নেওয়া হবে না।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে জানান, ২০২৬ সালের জুলাই মাসে মার্কিন স্বাধীনতা ঘোষণার ২৫০ বছর পূর্তি উৎসবের অংশ হিসেবে এই বিশেষ পাসপোর্টগুলো বাজারে আনা হবে। যদিও বিবৃতিতে সরাসরি ট্রাম্পের ছবির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে উল্লেখ করা হয়নি, তবে দপ্তরের সরবরাহকৃত প্রাথমিক নকশায় দেখা গেছে, পাসপোর্টের একটি পাতায় ১৭৭৬ সালের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা ঘোষণাপত্রের চিত্রের ঠিক বিপরীত পার্শ্বে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিকৃতি স্থান পেয়েছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই সীমিত সংস্করণের পাসপোর্টটি পাওয়ার জন্য নাগরিকদের কোনো অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। তবে সাধারণ নাগরিকরা এটি সংগ্রহের সুযোগ পাবেন কি না, তা নিয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি।
কেবল পাসপোর্টই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর থেকেও একটি ঐতিহাসিক ঘোষণা এসেছে। তারা জানিয়েছে, দেশটির কাগজের মুদ্রায় এখন থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বাক্ষর থাকবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে এটিই প্রথম ঘটনা যেখানে কোনো ক্ষমতাসীন রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষর সরাসরি প্রচলিত মুদ্রায় ব্যবহৃত হতে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ট্রাম্পের ছবি খচিত বিশেষ স্মারক স্বর্ণমুদ্রা চালুর পরিকল্পনাও চূড়ান্ত করেছে প্রশাসন।
গত বছরের শুরুতে পুনরায় ক্ষমতায় আরোহণের পর থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রশাসনের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা ও কর্মসূচিতে নিজের নাম যুক্ত করার একটি ধারা বজায় রেখেছেন। ওয়াশিংটনের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভবন থেকে শুরু করে নৌবাহিনীর নতুন যুদ্ধজাহাজ, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ভিসা কর্মসূচি, এমনকি শিশুদের জন্য ফেডারেল সঞ্চয়ী হিসাবের সাথেও তার নাম যুক্ত করা হয়েছে।

