ঢাকার আশুলিয়ায় একটি ভাড়া বাসার তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া স্বামী, স্ত্রী ও সদ্য ভূমিষ্ঠ নবজাতকের মরদেহের পরিচয় মিলেছে। নিহতদের পরিচয় নিশ্চিতের পাশাপাশি ঘটনাটির পেছনে কি রয়েছে , তা খতিয়ে দেখছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাতে আশুলিয়ার মধ্য জামগড়া এলাকার একটি চারতলা ভবনের দ্বিতীয় তলার একটি বন্ধ কক্ষ থেকে তিনজনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ। নিহতরা হলেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানার বড় মাগুরা গ্রামের বাসিন্দা আলমগীর ও তার স্ত্রী নাজমা (৩৩)। নাজমা স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন এবং আলমগীর ক্ষুদ্র পান বিক্রেতা ছিলেন।
স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, দম্পতিটি সম্প্রতি ওই বাসায় নতুন ভাড়াটিয়া হিসেবে উঠতে শুরু করেন এবং বেশিরভাগ সময়ই তাদের কক্ষের দরজা-জানালা বন্ধ থাকত। শুক্রবার রাতে ওই কক্ষটি থেকে তীব্র দুর্গন্ধ ছড়াতে থাকলে প্রতিবেশীদের মনে সন্দেহের দানা বাঁধে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘরের তালা ভেঙে প্রবেশ করে স্বামী-স্ত্রী ও নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের পাশেAlamgir-এর গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় পাওয়ায় ঘটনাটিকে শুরু থেকেই হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘটনাস্থলে সিআইডির ফরেনসিক টিমসহ ঢাকা উত্তর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)-এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলামত সংগ্রহ করেছেন। আশুলিয়া থানার কর্মকর্তা জানান, মরদেহগুলো কয়েক দিন আগের হওয়ায় পচন ধরেছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের পরই এই রহস্যজনক ও নির্মম মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটিত হবে।

