প্রধান খবর

এক নজরে নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের রাজনৈতিক পরিচিতি জেনে নিন

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার গঠনের ঠিক ছয় মাসের মাথায় মন্ত্রিসভায় প্রথম দফায় রদবদল আনা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নবনিযুক্তদের শপথবাক্য পাঠ করান। এই পুনর্গঠনের মাধ্যমে সরকারে নতুন করে তিনজন মন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রী যুক্ত হয়েছেন। একই সঙ্গে দক্ষতা ও পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণ মন্ত্রী হয়েছেন একজন প্রতিমন্ত্রী।

নতুন মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়াদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আবদুল মঈন খান। তাঁর পিতা প্রয়াত আবদুল মোমেন খানও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সরকারের খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান ড. মঈন খান ২০০১ সালে বিএনপি সরকারের তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পার্বত্য অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে মন্ত্রিসভায় স্থান দেওয়া হয়েছে বান্দরবানের সংসদ সদস্য ও বোমাং রাজপরিবারের সন্তান সাচিং প্রু জেরীকে। তিনি এর আগে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সামলেছেন। এ ছাড়া জোটের রাজনীতি জোরদারে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)-র চেয়ারম্যান ও ভোলা-১ আসনের সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছে। তাঁর বাবা সাবেক মন্ত্রী ও ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র নাজিউর রহমান মঞ্জু ছিলেন বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।

এদিকে, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাতকে তাঁর সফল কাজের মূল্যায়নে পদোন্নতি দিয়ে পূর্ণ মন্ত্রী করা হয়েছে। জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ থেকে নির্বাচিত এই সংসদ সদস্য দলের কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বেও রয়েছেন।

অন্যদিকে, নতুন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা অর্জনকারী এই অভিজ্ঞ রাজনীতিক বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর সঙ্গে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে স্থান পেয়েছেন গাইবান্ধা-৪ আসনের তরুণ সংসদ সদস্য ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।

জাতীয় রাজনীতির এই পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে বঙ্গভবন ও রাজনৈতিক অঙ্গনে দিনভর ব্যাপক উৎসুক পরিবেশ লক্ষ্য করা যায়। নতুন এই রদবদলের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক ও নীতি-নির্ধারণী কাজে নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *