রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) ভবনে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার ও গবেষণা সম্পাদক নাজমুস সাকিবের ওপর হামলার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার নিজে বাদী হয়ে গত ১০ আগস্ট রাজশাহীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মতিহার আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের করেন, যা মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়।
মামলায় অভিযুক্ত আসামিরা হলেন-ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আনাস, সংস্কৃত বিভাগের মাহমুদ হাসান মাহিন ও মামুন মিয়া, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের মাহফুজুল ইসলাম নয়ন এবং ইসলামী স্টাডিজ বিভাগের আজহারুল ইসলাম। এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে দাপ্তরিক কক্ষে প্রবেশ, দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মারধর, হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত এবং অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে আনুমানিক এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ২৭ জুলাই দুপুরে রাকসু ভবনের ২০২ নম্বর জিএস কার্যালয়ে সালাহউদ্দিন আম্মার দাপ্তরিক কাজ করার সময় আসামিরা লোহার রড, বাঁশ ও লাঠিসোটাসহ অবৈধভাবে সংগঠিত হয়ে অফিসে জোরপূর্বক প্রবেশ করে। সেখানে গালিগালাজের প্রতিবাদ জানালে আম্মারকে কিল-ঘুসি মেরে শারীরিক লাঞ্ছিত করা হয় এবং আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। রাকসুর এজিএস সালমান সাব্বির জানান, আদালত মামলাটি আমল নিয়ে তদন্তের দায়িত্ব পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) প্রদান করেছেন।
মামলার বিষয়ে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, তার সহযোগী সম্পাদকদের ওপর হামলা হওয়ায় কেবল বিষয়টি নজরে রাখা ও আইনি সুরক্ষার স্বার্থেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন। পিবিআই ঘটনাটির তদন্তভার গ্রহণ করায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে এটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে।

