প্রধান খবর

নদীভাঙনে ফেনীতে বসতভিটা হারাচ্ছেন শত শত পরিবার

টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে ফেনীর ছোট ফেনী, ফেনী ও কালীদাস পাহালিয়া নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভয়াবহ নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে বসতভিটা, ফসলি জমি, সড়ক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং ধর্মীয় স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সোনাগাজী, দাগনভূঞা ও ফেনী সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন। পাশাপাশি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের নদীতীরবর্তী এলাকাও ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন অব্যাহত থাকলেও কার্যকর স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গ্রহণ না হওয়ায় প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে। অনেক পরিবার বসতঘর হারিয়ে অন্যের বাড়িতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। কারও কারও পূর্বপুরুষের কবরও নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় মানবিক সংকট আরও গভীর হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, ২০২৪ সালের বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মুসাপুর ক্লোজার দ্রুত পুনর্নির্মাণ করা হলে নদীভাঙনের স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে। তাদের মতে, অস্থায়ীভাবে জিওব্যাগ ফেলা হলেও তা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর সমাধান নয়।

এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভাঙনরোধে জরুরি ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে জিওব্যাগ ফেলা হচ্ছে। এছাড়া নদীতীর সংরক্ষণে চলমান প্রকল্পের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে নতুন ভাঙন প্রতিরোধ প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। মুসাপুর রেগুলেটর পুনর্নির্মাণ প্রকল্পও সরকারি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *