২০২৭ শিক্ষাবর্ষ শুরু হতে কয়েক মাস বাকি থাকলেও নবম-দশম শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপার কাজ এখনো শুরু করেনি অধিকাংশ মুদ্রণপ্রতিষ্ঠান। মাধ্যমিক স্তরের বই সরবরাহের অগ্রগতিও সন্তোষজনক নয়। এ পরিস্থিতিতে নির্ধারিত সময়ে মানসম্মত বই শিক্ষার্থীদের হাতে পৌঁছানো নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) জানিয়েছে, আগামী শিক্ষাবর্ষের জন্য ১১৩টি প্রেসে মোট ৩০ কোটি ৬১ লাখের বেশি পাঠ্যবই ছাপানো হচ্ছে। এতে সরকারের ব্যয় প্রায় দুই হাজার ১০০ কোটি টাকা। কাজের অগ্রগতি ও সক্ষমতা বিবেচনায় পিছিয়ে থাকা ২৬টি প্রেসকে বিশেষ নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
গত রবিবার পর্যন্ত প্রাথমিক স্তরের ৫৪ দশমিক ৩৯ শতাংশ বই সরবরাহ করা হলেও মাধ্যমিক স্তরে এ হার মাত্র ২০ শতাংশ। ষষ্ঠ শ্রেণির ৪৪ দশমিক ০৩ শতাংশ, সপ্তম শ্রেণির ২৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ এবং অষ্টম শ্রেণির ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ বই সরবরাহ হয়েছে। তবে নবম-দশম শ্রেণির বই সরবরাহ এখনো শুরু হয়নি।
এনসিটিবির চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানিয়েছেন, পিছিয়ে থাকা প্রেসগুলোর সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা চাওয়া হচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, প্রাথমিকের শতভাগ বই ৯ নভেম্বর এবং মাধ্যমিকের বই ৩ ডিসেম্বরের মধ্যে সরবরাহের কথা রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে বই সরবরাহের পাশাপাশি ছাপার মান নিশ্চিত করতেও নিয়মিত তদারকি চলছে।

