জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে সিডনিতে ‘রক্তস্নাত ৩৬শে জুলাই: স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গত রোববার (৯ আগস্ট) বিকেলে সিডনির লাকেম্বায় বাংলা কমিউনিটি হলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এবং আহতদের অবদান তুলে ধরা হয়। আয়োজনটিতে আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মোশিউর রহমান মুন্না এবং সদস্য সচিব ছিলেন শফিকুল আলম শফিক।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর এমপি, সংরক্ষিত নারী আসন-৩০৩-এর সংসদ সদস্য রাশেদা বেগম হীরা, বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক, স্বেচ্ছাসেবক দলের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ ফেরদৌস অমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান এবং কবি জসীম উদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী হামিম। এছাড়া বিশেষ বক্তা হিসেবে নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. শাহ জে. মিয়া বক্তব্য উপস্থাপন করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রবাসী বাংলাদেশিদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিশেষ অতিথি নুরুল হক নুর এমপি প্রবাসীদের কল্যাণে ‘প্রবাসী কার্ড’ চালু, বিমানবন্দরে পৃথক ইমিগ্রেশন ব্যবস্থা এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নবনির্মিত তৃতীয় টার্মিনালে বিশেষ লাউঞ্জ স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানান। রাশেদা বেগম হীরা এমপি সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রশ্নে দেশ-বিদেশের সব বাংলাদেশিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
এছাড়া ড. শাহ জে. মিয়া বিএনপির রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা নিয়ে আলোকপাত করেন এবং হায়দার আলী অস্ট্রেলিয়ায় কনস্যুলার সেবা সম্প্রসারণের জোর দাবি জানান। আলোচনা সভা শেষে গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের রুহের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালিত হয়।

