দেশের তেইশতম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে লজিস্টিক ও নীতিগত প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে জাতীয় সংসদ। নির্বাচনের প্রস্তুতিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের কেবিনেট কক্ষে ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন–২০২৬’ শীর্ষক একটি বিশেষ উচ্চপর্যায়ের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল সভাপতিত্ব করেন।
বৈঠকে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান করে বলেন, রাষ্ট্রকাঠামোর প্রতিটি ক্ষেত্রকে পুরোপুরি ফ্যাসিবাদমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফ্যাসিবাদমুক্ত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে ২০২৬ সালের এই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন একটি অনন্য ও ঐতিহাসিক মাহেন্দ্রক্ষণ হিসেবে বিবেচিত হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রস্তুতিমূলক এ সভায় আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন করতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সভায় সংসদ অধিবেশন কক্ষ ব্যবহার, নির্বাচনকালীন যাবতীয় লজিস্টিক সহায়তা প্রদান এবং সংসদ সদস্যদের পূর্ণ উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা শেষে কার্যবিবরণী সংশোধনপূর্বক চূড়ান্ত করা হয়।
নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে নির্ধারিত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ‘রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১’-এর ৩ ধারা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার সরাসরি এ নির্বাচন পরিচালনা করবেন।
উচ্চপর্যায়ের এ বৈঠকে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম, বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম, সরকারি ও বিরোধী দলীয় হুইপবৃন্দ, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া এবং নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

