নিজ নিজ কর্ম ও উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করা তিন অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তাঁদের জীবনসংগ্রাম ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের কথা শোনেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ গঠনে আপনাদের মতো মানুষের অনেক প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকারীদের একজন নায়লা শারাফ। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে পড়াশোনা শেষ করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকরি এবং ৩৪তম বিসিএসে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও শিশুদের শিক্ষাদানকে পেশা হিসেবে বেছে নেন তিনি। গত সাত বছর ধরে নেত্রকোনার পাঁচআননপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পাশাপাশি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষা উপকরণ ও ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করছেন।
অন্যদিকে জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকা মো. আলতাফ হোসেন পা দিয়ে লেখালেখি শিখে ২০০৭ সালে নরসিংদীর পাঁচদোনায় একটি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। নিজের সঞ্চয় ও পৈতৃক জমি বিক্রির অর্থে গড়ে তোলা প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ১৪৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। তাঁর সংগ্রামের কথা শুনে নতুন বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ করে দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী।
তৃতীয় অনুপ্রেরণাদায়ী ব্যক্তি ভোলার চরফ্যাশনের রেজাউল কিবরিয়া বাবুল। প্রায় তিন দশক ধরে ব্যক্তিগত অর্থ ও শ্রম দিয়ে বিভিন্ন সড়কের পাশে হাজার হাজার গাছ রোপণ করেছেন তিনি। তিনজনের উদ্যোগের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের কল্যাণে এমন ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা অন্যদেরও ভালো কাজে উৎসাহিত করে। তাঁদের কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি।

