যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের পণ্য আমদানি দ্রুত বাড়লেও দেশটির বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ ১৮৯ কোটি ৬২ লাখ ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যা এপ্রিল-জুন সময়ে আগের তিন মাসের তুলনায় ১১৩ শতাংশের বেশি বেড়েছে।
আমদানির বড় অংশ এসেছে জ্বালানি, তুলা, লোহা-ইস্পাত, খাদ্যশস্য ও পশুখাদ্য থেকে। নতুন বাণিজ্য চুক্তির আওতায় জ্বালানি, কৃষিপণ্য ও তুলা আমদানির পাশাপাশি ভবিষ্যতে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার কারণে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি আরও বাড়তে পারে।
অন্যদিকে, জানুয়ারি-আগস্ট সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পোশাক আমদানি ৪ দশমিক ৪৩ শতাংশ কমে ৫৩৯ কোটি ডলারে নেমেছে। তবে আগস্টে একক মাসের হিসাবে বাংলাদেশের পোশাক আমদানি ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ বেড়েছে, যা কিছুটা ইতিবাচক সংকেত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
অর্থনীতিবিদদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়লেও চীন ও ভারতের মতো প্রধান আমদানি উৎসকে অল্প সময়ে ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে জ্বালানি, তুলা, কৃষিপণ্য, উড়োজাহাজ ও উচ্চপ্রযুক্তির পণ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অংশ বাড়তে পারে; একই সঙ্গে রপ্তানি বাড়িয়ে বাণিজ্য ঘাটতি নিয়ন্ত্রণে রাখা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।

