নীলফামারীর ডোমারে ট্রেনে কাটা পড়ে প্রাণ হারানো যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। নিহত যুবকের নাম মীর তানভীর আহমেদ (২৯)। তিনি পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ গম ও ভুট্টা গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ৪৫তম বিসিএসে কৃষি ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়ে গেজেট ও যোগদানের অপেক্ষায় ছিলেন।
সোমবার রাতে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা আন্তঃনগর ‘নীলসাগর এক্সপ্রেস’ ট্রেনের নিচে কাটা পড়লে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে। প্রথমে পরিচয় অজানা থাকলেও পরবর্তীতে সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা আঙুলের ছাপের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তানভীরের মূল বাড়ি মাদারীপুর জেলার শিবচর উপজেলায়। তিনি চলতি বছরের জুন মাসে দেবীগঞ্জ গবেষণা কেন্দ্রে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে পদায়ন পেয়েছিলেন। বিসিএসের মতো মেধাভিত্তিক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের পর সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদানের আগেই এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে তাঁর পরিবার ও সহকর্মীদের মাঝে শোকের মাতম চলছে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সুপার শফিকুর রহমান দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত সম্পন্ন শেষে নিহত তরুণ কর্মকর্তার মরদেহ তাঁর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

