প্রধান খবর

৩০০ কোটি ডলার ঋণ চায় সরকার

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল, গ্যাস ও সারের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি আমদানি ব্যয় সামাল দিতে প্রায় ৩০০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণের সন্ধান করছে সরকার। চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে এই অর্থ প্রয়োজন বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

এ লক্ষ্যে ঋণপ্রাপ্তির সম্ভাবনা যাচাই করতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি)-কে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট চিঠির সঙ্গে পাঠানো অবস্থানপত্রে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর সৃষ্ট চাপের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

অবস্থানপত্রে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত ঋণ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে প্রথমত বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখা, দ্বিতীয়ত জ্বালানি, সার ও খাদ্য আমদানি নিশ্চিত করা এবং তৃতীয়ত নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্পমেয়াদি সহায়তা প্রদান। পাশাপাশি জ্বালানি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণেও এই অর্থ ব্যয় করা হতে পারে।

সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি-তে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ বসন্তকালীন সভা-এ অংশ নিচ্ছেন। সেখানে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, বিশ্বব্যাংক, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক এবং এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক-সহ বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে ঋণ সহায়তা নিয়ে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের মতে, বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য চাপে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং জরুরি আমদানি ব্যয় নির্বাহে ঋণ সহায়তা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *