প্রধান খবর

বড়ো ধরনের আধুনিকায়নের পথে ‘এয়ার এশিয়া’!

মালয়েশিয়ার একটি প্রাইভেট এয়ারলাইন্স সংস্থা “এয়ার এশিয়া” গত ৭ মে সরকারি অর্থায়ন ছাড়াই ১৫০টি নতুন এয়ারবাস এ-২২০-৩০০ মডেলের এয়ারক্রাফট ক্রয়ের চুক্তি সম্পন্ন করেছে। এই এয়ারক্রাফট ক্রয়ের মোট চুক্তিমূল্য হতে পারে প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলার।

মালয়েশিয়ার ‘এয়ার এশিয়া’ এয়ারলাইনস প্রথম ১৯৯৬ সালে যাত্রা শুরু করে। সংস্থাটির বিমান বহরে বর্তমানে মোট প্রায় ২৫০টি যাত্রী পরিবহন বিমান ও কার্গো বিমান রয়েছে। যার অধিকাংশ হচ্ছে এয়ারবাস এ-৩২০ ফ্যামিলির এয়ারক্রাফট।

তবে, বর্তমানে এয়ার এশিয়া এয়ারলাইনস সংস্থাটি আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে ব্যাপক আধুনিকায়ন ও নতুন মডেলের এয়ারক্রাফট ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। যার আওতায় এবার এয়ারবাস এ-২২০-৩০০ সিরিজের প্রায় শতাধিক যাত্রী পরিবহন বিমান সংগ্রহ করবে।

‘এয়ার এশিয়া’ মূলত একটি মালয়েশিয়ার কম খরচের এয়ারলাইন্স সংস্থা, যা গত ২০০১ সালে মালয়েশীয় সরকার-মালিকানাধীন এয়ার-এশিয়া কর্পোরেশন থেকে টনি ফার্নান্দেসের (Tony Fernandes) মালিকানাধীন টিউন এয়ার (Tune Air) কিনে নেওয়ার মাধ্যমে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে।

নতুন অর্ডারকৃত এই বিমানগুলো কানাডার কুইবেকের মিরাবেলে অবস্থিত এয়ারবাসের উৎপাদন কেন্দ্রে তৈরি করা হবে, যা পর্যায়ক্রমে আগামী ২০২৮ সাল থেকে সরবরাহ শুরু করবে এয়ারবাস।

এয়ারবাস এ-২২০-৩০০ মডেলের ন্যারো বডির এয়ারক্রাফট হলো ১৬০ আসনের একটি আধুনিক প্রযুক্তির, জ্বালানি সাশ্রয়ী এবং দীর্ঘ পাল্লার উড্ডয়নে সক্ষম যাত্রী পরিবহন বিমান। যা এয়ার এশিয়ার “ASEAN” ও সেন্ট্রাল এশিয়ায় আকাশ যাত্রায় পরিষেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

লেখা: সিরাজুর রহমান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *