প্রধান খবর

অর্থের লোভ নয়, জাতীয় দলই অগ্রাধিকার

বিশ্ব ক্রিকেটে এখন অর্থের ঝনঝনানি তুঙ্গে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোতে লোভনীয় চুক্তির প্রস্তাব আসছে একের পর এক। অনেক ক্রিকেটারই জাতীয় দলের চেয়ে এসব লিগকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন এমন উদাহরণও কম নয়। তবে আগস্টে বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার হোম টেস্ট সিরিজ ও ইংল্যান্ডের দ্য হানড্রেডের সূচি সাংঘর্ষিক হওয়া সত্ত্বেও অস্ট্রেলিয়ার বেশ কয়েকজন শীর্ষ ক্রিকেটার জাতীয় দলকে বেছে নিয়েছেন। কিন্তু এই মানসিকতা কতদিন টিকবে তা নিয়ে সন্দিহান প্যাট কামিন্স।

২০০৩ সালের পর প্রথমবার বাংলাদেশকে টেস্ট খেলতে স্বাগত জানাবে অস্ট্রেলিয়া। একই সময়ে ইংল্যান্ডে চলবে ১০০ বলের ক্রিকেট প্রতিযোগিতা দ্য হানড্রেড, যেখানে একজন ক্রিকেটার আয় করতে পারেন প্রায় ৫ লাখ পাউন্ড বা ৮ কোটি টাকা। প্রতিপক্ষ বিবেচনায় চাইলে এই সিরিজে দ্বিতীয় সারির দল নামাতে পারত অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু কামিন্স, ট্র্যাভিস হেড, স্টিভ স্মিথ, মিচেল স্টার্ক, জশ হ্যাজলউড ও ক্যামেরন গ্রিন সবাই অর্থের প্রলোভন ফিরিয়ে দিয়ে জাতীয় দলের প্রতি দায়বদ্ধতাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার সাদা বলের ক্রিকেটার টিম ডেভিড, অ্যাডাম জাম্পা ও মিচেল মার্শ দ্য হানড্রেডে খেলবেন। তবে টেস্ট দলের নিয়মিত সদস্যরা এখনো জাতীয় দলের দায়িত্বকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

তবুও কামিন্সের মনে প্রশ্ন রয়ে গেছে বিশ্ব ক্রিকেটে যখন অর্থের প্রভাব বাড়ছে, তখন ভবিষ্যতে কি এই দায়বদ্ধতা একইভাবে টিকে থাকবে?

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *