ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, যখন কোনো স্থান মসজিদ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখন সেই স্থান আকাশ পর্যন্ত মসজিদ হিসেবে বিবেচিত হয়। মসজিদের ওপরের তলাও সেই অংশের অন্তর্ভুক্ত। তাই মসজিদের ছাদও সম্মানিত স্থান এবং মসজিদের আদব অনুসরণ করতে হবে।
যদি মসজিদের নিচের তলায় স্থান শেষ হয়ে যায়, কেউ যদি ছাদে নামাজ আদায় করেন, তাহলে এটি মসজিদে নামাজের মতোই সওয়াবপূর্ণ। তাই মসজিদের ছাদকে খেলাধুলা, বেচাকেনা বা অন্য কোনো অশোভন কাজে ব্যবহার করা ঠিক নয়।
কোরআনে আল্লাহ মসজিদকে মর্যাদাপূর্ণ ও পবিত্র স্থান হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং নির্দেশ দিয়েছেন যে শুধু তারা মসজিদ আবাদ করবে যারা আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি ঈমান রাখে, সালাত কায়েম করে, যাকাত প্রদান করে এবং আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করে না (সুরা বাকারা: ১৮)।
মসজিদের মর্যাদা রক্ষা করা মুসলমানদের কর্তব্য এবং এটি তাকওয়ার প্রকাশ। আল্লাহ তাআলা বলেছেন, যেসব ঘরকে মর্যাদায় সমুন্নত করতে এবং তাতে তাঁর নাম স্মরণ করতে নির্দেশ দিয়েছেন, সেখানে ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্রয়-বিক্রয় বা অন্য কোনো কার্যকলাপ নামাজ ও ইবাদতকে ব্যাহত করতে পারবে না (সুরা নুর: ৩৬-৩৭)।
সংক্ষেপে: মসজিদের ছাদও মসজিদের অংশ, তাই সেটিকে খেলাধুলা বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা যাবে না এবং এটি সর্বদা সম্মান ও পবিত্রতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে।

