রাজনৈতিক কারণ ও নিরাপত্তা ইস্যু দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যায়নি বাংলাদেশ। সিদ্ধান্তটি ঘিরে আইসিসি, বিসিসিআই ও বিসিবির মধ্যে ত্রিমুখী বিরোধ তৈরি হয়েছিল। পাকিস্তানও আলোচনায় যুক্ত হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়। শেষ পর্যন্ত তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তেই লিটন দাসের দল বিশ্বমঞ্চে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ হারায়। তবে বিশ্বকাপ বয়কটের পর মাঠে যেন সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে হাজির হয়েছে বাংলাদেশ দল।
বিশ্বকাপের পর পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই শুরু হয় টাইগারদের দ্বিপাক্ষিক লড়াই। বিশ্বমঞ্চে না যেতে পারার ক্ষোভ যেন মাঠে আগুন হয়ে ঝরল। তিন ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশ ২-১ ব্যবধানে জিতলেও প্রতিটি ম্যাচেই ছিল তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সিরিজ জয় দলকে নতুন আত্মবিশ্বাস দেয়।
এরপর বাংলাদেশে আসে নিউজিল্যান্ড। তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে মিরপুর ও চট্টগ্রামে নেমেছিল কিউইরা। বাউন্সি উইকেট তৈরি করেও সফরকারীদের থামাতে পারেনি কেউ। তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে বাংলাদেশ আবারও ২-১ ব্যবধানে জয় তুলে নেয়। ধারাবাহিক সাফল্যে স্পষ্ট, বিশ্বকাপ বয়কটের পর বাংলাদেশ দল যেন আরও দৃঢ়, আরও ক্ষুধার্ত।

