প্রধান খবর

সিডনিতে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সম্মাননা

সিডনিতে বাংলাদেশ নারী ফুটবলের সংবাদ সংগ্রহ করতে আসা পেশাদার বাংলাদেশি সাংবাদিকদের সম্মান জানিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ইফতার ও নৈশভোজ অনুষ্ঠান। ৫ মার্চ টেলিভিশন রিপোর্টার্স ইউনিটি অব বাংলাদেশ (ট্রাব) অস্ট্রেলিয়ার উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে আগত প্রায় ৩০ জন সাংবাদিককে সম্মাননা প্রদান করা হয়।

নারী ফুটবলের সাম্প্রতিক অগ্রযাত্রা এবং এই সাফল্য বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরতে গণমাধ্যমের ভূমিকার প্রশংসা করেন বক্তারা। তাদের মতে, সংগ্রাম, সাফল্য ও উত্থানের গল্প গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ফুটবলাররা নতুন করে অনুপ্রাণিত হচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক জাতীয় ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নারী ফুটবল দল শুধু এশিয়া কাপেই নয়, ভবিষ্যতে বিশ্বমঞ্চেও নিজেদের সক্ষমতার প্রমাণ দেবে। ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলে আরও বড় অবস্থান তৈরি করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ট্রাব অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি ও ভয়েস অব সিডনির সম্পাদক অর্ক হাসানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রোজ ও গালিব ইবনে রিয়াজের যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিডনির সাবেক কাউন্সিলর শাহ জামান টিটু, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের সভাপতি ও বাফুফের অস্ট্রেলিয়া প্রতিনিধি আব্দুল খান রতন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি মনিরুল হক জর্জ, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মতিন, অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ প্রেস অ্যান্ড মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি রহমতউল্লাহ এবং নাট্যকার বেলাল ঢালী।

বক্তারা বলেন, নারী ফুটবলের ধারাবাহিক উন্নতির ফলেই বাংলাদেশ আজ প্রথমবারের মতো এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেয়েছে। আফিদা, মিলি, ঋতুপর্ণাদের মতো খেলোয়াড়রা নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক হয়ে উঠেছেন। শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদের লড়াকু পারফরম্যান্স প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও মুগ্ধ করেছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে আগত সাংবাদিকদের হাতে ট্রাব অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকে সম্মাননা সনদ তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয় বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল, সাবেক ক্রিকেটার ইমরুল কায়েস এবং জনপ্রিয় ক্রীড়া প্ল্যাটফর্ম BDCrictime-কে।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, বাংলাদেশের নারী ফুটবলের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে এবং একদিন আন্তর্জাতিক বড় কোনো আসরে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতেও বাংলাদেশের মেয়েরা দর্শকদের উচ্ছ্বাসে মাতিয়ে তুলবে। প্রবাসী বাঙালিরা সেই দিনের অপেক্ষায় রয়েছেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *